SVMCM (স্বামী বিবেকানন্দ) Scholarship 2026 বড় পরিবর্তন, এবার থেকে মেধার ভিত্তিতেই মিলবে বৃত্তি
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রে ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের কৃতী পড়ুয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষানীতি ও স্কলারশিপ ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। সোমবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি জানান, এবার থেকে রাজ্যে চালু হতে চলেছে নতুন “স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ”।
সরকারের দাবি, এই নতুন ব্যবস্থায় আর আলাদা আলাদা সম্প্রদায়ভিত্তিক স্কলারশিপ থাকবে না। শুধুমাত্র পড়ুয়াদের মেধা ও নম্বরের ভিত্তিতেই বৃত্তি দেওয়া হবে।

স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ কি কারনে বাতিল হয়েছে বিস্তারিতভাবে জানুন।
SWAMI VIVEKANAND SCHOLARSHIP APPLICATION REJECTED
প্রতিবছর আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় বিভিন্ন রকম স্কলারশিপ। প্রত্যেক বছর বহু সংখ্যক ছাত্রছাত্রীকে এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে কয়েক হাজার টাকা ভিত্তি দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়েছে এমন বেশ কিছু স্কলারশিপ। দুস্থ ছাত্র-ছাত্রী এবং মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রাজ্য সরকার স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য করা হয় বৃত্তি বা স্কলারশিপ দিয়ে।
এ বছর এবং গত বছর যারা স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্য তারা অনেকেই স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ প্রোগ্রামে স্কলারশিপ পাবার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে দেখা গেছে যে প্রায় অধিকাংশ স্কলারশিপ রিজেক্ট করা হয়েছে। বহু ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মনে অনেক রকমের প্রশ্ন জাগছে যেসব রকম প্রসেস ঠিকঠাক করে জমা দেওয়া সত্ত্বেও কেন স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ রিজেক্ট করা হচ্ছে।
যখন ছাত্র-ছাত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ প্রোগ্রামের স্ট্যাটাস চেক করছেন তখন সেখানে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্টেড মানে SVMCM Scholarship Application Rejected এরকম লেখা দেখাচ্ছে। এরকম লেখা দেখানোর অর্থ হলো এই সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম থেকে কোন রূপ টাকা পাবে না।
অনেকদিন আগেই সরকারের তরফ থেকে একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল যে প্রস্তাবে বলা হয়েছিল একই ছাত্র দুটি আলাদা আলাদা সরকারি স্কলারশিপ প্রোগ্রামে কোনভাবে আবেদন করতে পারবে না। তবে এর আগে অনেক ছাত্র-ছাত্রী একই সাথে দুটি স্কলারশিপ আবেদন করে দুটি থেকে টাকা পেয়েছে।
সরকারের নির্দেশ কে গুরুত্ত্ব না দিয়ে অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এবং ওয়াসিস স্কলারশিপ দুটোতেই আবেদন করেছে।
পরীক্ষার্থীরা কবে থেকে মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড পাবে জানালো মধ্যশিক্ষা পর্ষদ
স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এর স্ট্যাটাস চেক করার সময় যাদের অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট লেখা আছে সেখানে ট্রাক অ্যাপ্লিকেশন এ ক্লিক করলে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হওয়ার কারণটি মেনশন করা হচ্ছে।
এর কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে যে ছাত্রছাত্রীরা আগেই ওয়াসিস বা অন্যান্য কোন সরকারি স্কলারশিপ এ আবেদন করেছে এবং সেই আবেদনটি এপ্রুভ হওয়ার কারণে স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এর আবেদনটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
তাই প্রথম দিকে ছাত্র-ছাত্রী রাজ্যে স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করেছিল সেই প্রোগ্রামের স্কলারশিপ এর টাকা পাবে এবং পরে যে সরকারি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম এ আবেদন করেছে সেই আবেদনটি রিজেক্ট করে দেওয়া হচ্ছে।
একজন ছাত্র-ছাত্রী যেকোনো একটি সরকারি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের পাশাপাশি আরও অন্যান্য যে কোন বেসরকারি স্কলারশিপ জন্য আবেদন করতে পারে। তবে দুটি সরকারি স্কলারশিপে একই সঙ্গে আবেদন করা যাবে না। এবং পরেরবার এইসব বিষয়ে ছাত্রছাত্রীরা আরও বেশি সচেতন থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Swami Vivekananda Scholarship Form Fill Up 2022-23 5 tips : আমরা সবাই জানি মাধ্যমিক পাস করার পর আমরা বিভিন্ন স্কলারশিপ এর জন্য আবেদন করতে পারি । আবার উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর ও আমরা বিভিন্ন স্কলারশিপ এর জন্য আবেদন করতে পারি। তার মধ্যে কিছু সরকারি স্কলারশিপ থাকে আবার কিছু বেসরকারি স্কলারশিপ থাকে। আমাদের রাজ্যে অর্থাৎ West Bengal এ সব থেকে জনপ্রিয় সরকারি স্কলারশিপ টি হল স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ বা SVMCM Scholarship for All Students ।
তবে এখানে বা যেকোনো স্কলারশিপ এ আবেদনের সময় ছাত্র ছাত্রী রা কিছু সাধারন জিনিস খেয়াল না রাখার ফলে তাদের স্কলারশিপ পেতে সমস্যা হয়, অনেক সময় দেখা একটু ছোট ভুলের জন্য তারা স্কলারশিপের টাকা পায় না। কিন্তু বন্ধুরা আজকের প্রতিবেদনে আমরা সমস্ত জায়গা থেকে বিশ্লেষণ করে ও কিছু তথ্য সংগ্রহ করে আপনাদের সামনে ৫ টি তথ্য দিতে চলেছি যেগুলি খেয়াল রেখে যেকোনো স্কলারশিপ এ আবেদন করলে, আপনারা ১০০% স্কলারশিপ এর টাকা পাবেন । সেটা Swami Vivekananda Merit cum Means Scholarship হোক বা Other Private Compnay Scholarship ।
যে কোন স্কলারশিপ আবেদন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেদন করে দেয়া উচিত। আবেদনের শেষ তারিখ যতই পিছনে থাক না কেন আবেদন যখন শুরু হচ্ছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদন করা উচিত কারণ প্রত্যেকটি স্কলারশিপই লট হিসাবে স্কলারশিপ অ্যামাউন্ট স্টুডেন্টদেরকে দেওয়া হয়ে থাকে, সুতরাং স্টুডেন্টরা যদি ফাস্ট লটে তাদের স্কলারশিপ এমাউন্ট পেয়ে যায় তবে অনেকটাই সুবিধা হয়। সুতরাং আমরা রে রেকমেন্ড করব যে প্রথম আবেদন শুরু হলেই যে কোন স্কলারশিপ সে স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম মেন্স স্কলার্শিপও কিংবা অন্যান্য সরকারি বা বেসরকারি স্কলারশিপ প্রথম দিকে আবেদন করে নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
প্রত্যেকটি স্কলারশিপের আবেদনের জন্য একটি ফ্যামিলি ইনকাম এর লিমিট দেওয়া থাকে। এক্ষেত্রে স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এর বার্ষিক পরিবারের আয় আড়াই লক্ষ টাকার কম হলে আবেদন করতে পারবে এই স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম মিনস স্কলারশিপ এ। এর জন্য একটি নথিপত্র জমা করাতে হয় অনলাইনে আবেদনের সময় সেটিকে বলা হয় ইনকাম সার্টিফিকেট। আর এই ইনকাম সার্টিফিকেট গ্রামীণ এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা পঞ্চায়েত ও শহরে এলাকার ছাত্রছাত্রীরা কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু এই হাতে লেখা ইনকাম সার্টিফিকেট স্কলারশিপে আবেদনের সময় গ্রহণযোগ্য হয় না তার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে একটি ইনকাম সার্টিফিকেট এপ্লাই করতে হয় পশ্চিমবঙ্গে। www.edistrict.WB.gov.in এই সাইট থেকে অনলাইনে ইনকাম সার্টিফিকেট এপ্লাই করে তারপর ডাউনলোড করে, প্রিন্ট করে স্কান করে জমা করলে, সেই ইনকাম সার্টিফিকেট স্কলারশিপ এর ক্ষেত্রে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্যতা পায়।
প্রত্যেকটি ফর্ম ফিলাপের মতো স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম মেন্স স্কলার্শিপে ফরম ফিলাপের প্রত্যেকটি ডকুমেন্টকে সঠিকভাবে এবং পরিষ্কারভাবে স্ক্যান করে সাবমিট করা প্রয়োজন। ডকুমেন্ট সাবমিট করার সময় যদি কোন ডকুমেন্টস অস্পষ্ট হয় বা সম্পূর্ণ না হয় সেক্ষেত্রে আবেদন বাতিল হতে পারে কিংবা আবেদন সাবমিট হয়ে গেলেও টাকা নাও পেতে পারে ছাত্রছাত্রীরা।
প্রত্যেকটি ছাত্রছাত্রীকে তাতে নিজেদের ব্যাংকের পাস বইয়ের কান কপি জমা করাতে হয় আবেদনের সময় কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে ছাত্র ছাত্রীদের নিজেদের ব্যাংক একাউন্ট না থাকায় তারা তাদের অভিভাবকদের ব্যাংক একাউন্ট এর পাস বই সাবমিট করে সেক্ষেত্রে কিন্তু আবেদন ক্যানসেল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি থেকে থাকে। তাই প্রত্যেকটি ছাত্রছাত্রীকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে তোমরা তোমাদের ব্যাংকের পাস বইয়ের প্রথম পাতা অর্থাৎ যেখানে তোমাদের অ্যাকাউন্ট ফোল্ডার নাম আইএফএসসি কোড ও একাউন্ট নাম্বার স্পষ্ট তো বোঝা যাচ্ছে সেই কপিতে স্ক্যান করে জমা করাবেন আবেদনের সময়।
সর্বশেষ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো আমরা আবেদনের শেষে যে হার্ড কপি তোমাদের স্কুলে বা কলেজে জমা জমা করে থাকো সেখানে অবশ্যই স্কুলের অথোরিটির থাকে জেনে নেবে যে তারা অবশ্যই যেন তোমাদের আবেদন পত্রটি সাবমিট করে দেয়। তারা যদি আবেদনপত্র সাবমিট করতে দেরি করে কিংবা না করে সে ক্ষেত্রে তোমরা স্কলারশিপের টাকা পাবে না।
আশা করছি উপরে দেওয়া তথ্য আপনাদের ভালো লেগেছে মূলত কাজে লেগেছে এরকমই তথ্য পরবর্তীতে পেতে অবশ্যই Bong Edutech এর পাতায় চোখ রাখুন । উপরে দেওয়া সমস্ত তথ্য গতবছরের ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপ টাকা পাওয়া ও স্কলার্শিপ ফরম ফিলাপের ওপর ভিত্তি করে এবং কিছু তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে উপরে প্রস্তাবনা করা হলো।
State Bank of India (SBI ) আশা স্কলার্শিপ ২০২২ এ পাওয়া যাবে প্রচুর টাকা । মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের উত্তীর্ণ যে কোন ছাত্রছাত্রী এই স্কলারশিপ এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন পদ্ধতি শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণের জন্য আজকের প্রতিবেদনটি দেখুন।
SBI Scholarship 2022 :-
স্কলারশিপ-এর নাম: - SBI Asha Scholarship 2022
প্রদানকারী সংস্থা : - SBI Foundation
টাকার পরিমান: -15,000/- টাকা
শিক্ষাগত যোগ্যতা: -
আবেদন পদ্ধতি :-
1.অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এর মাধ্যম অনলাইনে আবেদন করুন (লিঙ্ক নিচে দেওয়া হয়েছে) ।
2. প্রথমে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে ।
3. অনলাইনে আবেদন করার সময় প্রার্থীদের মেইল আইডি , ফোন নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট :-
1. সমস্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কশিট ও সার্টিফিকেট
2. আধার কার্ড
3. ভর্তির রশিদ
4. বার্ষিক আয়ের সার্টিফিকেট
5. ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সমস্ত ডিটেইলস
6. সপোর্ট সাইজের ছবি
রাজ্যের একাদশ শ্রেণি দ্বাদশ শ্রেণীর কলেজে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ । তোমরা Jagadis Bose National Science Talent Search Examination and Scholarship 2022 এর জন্য আবেদন করতে পারবে এবং তোমাদের National Science Talent Search Examination এর মাধ্যমে মেধা তালিকা প্রকাশ করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের বাছাই করা পুরস্কৃত করা হবে সাথে স্কলারশিপও পাবে তোমরা।
যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করছো কিংবা করবে তোমাদের জন্য এই সাইন্স ট্যালেন্ট সার্চ এক্সামিনেশন একটি দারুণ সুযোগ এটি দেওয়া হচ্ছে Jagadis Bose National Science Talent Search এর পক্ষ থেকে ।
আজকের এই প্রতিবেদনে আমি তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চলেছি তোমরা কিভাবে Jagadis Bose National Science Talent Search Examination and Scholarship 2022 তে আবেদন করবে পরীক্ষার তারিখ কত ? কি কি পরীক্ষা নেওয়া হবে ? পরীক্ষার সময়সীমা, পরীক্ষার সিলেবাস এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের কত টাকা স্কলারশিপ দেওয়া হবে সমস্ত কিছু।
সিলেবাস : মাধ্যমিক স্তরে পরীক্ষা নেওয়া হবে উপরে উল্লেখিত বিষয় তথা ভৌত বিজ্ঞান জীবন বিজ্ঞান ও অংক থেকে প্রশ্নপত্র করা হবে।
স্কলারশিপ : জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
জুনিয়র বিজ্ঞানি কন্যা মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
এছাড়াও সমস্ত উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে ।
সিনিয়র ট্যালেন্ট সার্চ টেস্ট বা সিনিয়র বিজ্ঞানী কন্যা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ৩ ঘন্টার হবে এবং পূর্ণমান ১০০ ।এই পরীক্ষার দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে
সেকশান A : এক্ষেত্রে ৭৫ নম্বরে পরীক্ষা হবে চারটি বিষয় থেকে প্রশ্ন দেয়া হবে ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম্যাথমেটিক্স এবং বায়োলজি ।
সেকশান B : এক্ষেত্রে ২৫ নম্বর পরীক্ষা হবে প্রশ্নপত্র হবে ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম্যাথমেটিক্স বায়োলজি থেকে ।
সিলেবাস : উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পরীক্ষা নেয়া হবে এবং পরীক্ষার বিষয়ে উপরে উল্লেখিত ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম্যাথমেটিক্স ও বায়োলজি
স্কলারশিপ : সিনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার জন্য
Rs. 4000/- per month & Annual Book Grant: Rs.5000/- for 4 / 5 years (till completion of B.Tech / BE / MBBS / BS- MS / M.Sc).
সিনিয়র বিজ্ঞানী কন্যা মেধাবৃত্তি পরীক্ষার জন্য
Rs. 4000/- per month and annual Book grant of Rs. 5000/- for four / five years (till completion of B.Tech / BE / MBBS / BS-MS / M.Sc).
এছাড়াও সমস্ত উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপ সার্টিফিকেট দেয়া হবে এবং প্রথম দশটি ছাত্র এবং দশটি ছাত্রীকে যারা প্রথম দশের মধ্যে Ranking এ থাকবে তাদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে ।
উপরে দেওয়া সমস্ত তথ্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে নিচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে অফিসিয়াল নোটিশ ডাউনলোড করতে পারেন এবং অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করতে পারেন।
Jagadis Bose National Science Talent Search Examination and Scholarship 2022 গুরুত্বপূর্ণ কিছু তারিখ
নবান্ন স্কলারশিপ পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম সরকারী স্কলারশিপ । এটি সাধারণত প্রদান করা হয় চিফ মিনিস্টার রিলিফ ফান্ডের তরফ থেকে। বর্তমানে 50% নাম্বার পেলেই এই স্কলারশিপ পাওয়া যায় ।
Nabanna Scholarship কাদের দেওয়া হয় কিভাবে আপনারা পাবেন এবং এর শর্তাবলী কি বলা হয়েছে? সমস্ত কিছু আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করা হলো।
যোগ্যতা
মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিবেচনামূলক তহবিল থেকে সহায়তা ছাত্রকে দেওয়া হয়: